কুমিল্লা বোর্ড ২০২৬

১. উদ্দীপক

তথ্য-১: ফাহিমের বয়স ২৩ বছর। তার ওজন ৮৪ কেজি, ও উচ্চতা ১.৫ মিটার।

তথ্য-২:

X – দুধ, মাখন, ডিমের কুসুম।

Y – কডমাছ, লালশাক, পাকা পেঁপে।

উত্তর প্রাকৃতিক নিয়মে মানুষের দেহে রোগজীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকে ইমিউনিটি বলে।
উত্তর হাড় এবং দাঁতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। এজন্য মানবদেহের জন্য ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর

এখানে, ফাহিমের ওজন = $৮৪$ কেজি
এবং উচ্চতা = $১.৫$ মিটার

আমরা জানি

$\begin{aligned} & \mathrm{BMI}=\frac{\text { দেহের ওজন (কেজি) }}{\{\text { দেহের উচ্চত (মিটার) }\}^2} \\ & =\frac{৮ ৪}{(১ . ৫)^2}\end{aligned}$

$= ৩৭.৩৩$

সুতরাং, ফাহিমের BMI হলো $৩৭.৩৩$।

উত্তর

উদ্দীপকের X ও Y উপাদানগুলো হলো যথাক্রমে ভিটামিন D এবং ভিটামিন A যা মানবদেহের সুস্থতা ও হাড় গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো—

দুধ, মাখন ও ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন D পাওয়া যায়। ভিটামিন D দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সহায়তা করে, যার ফলে হাড় ও দাঁত মজবুত ও সুগঠিত হয়। বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ও হাড়ের স্বাভাবিক বিকাশে এই ভিটামিনের ভূমিকা অপরিসীম। ভিটামিন D-এর অভাবে রিকেটস, হাড় নরম হয়ে যাওয়া ও দাঁতের দুর্বলতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া দুধে থাকা ক্যালসিয়ামও হাড় গঠন ও দেহের শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে কড মাছ, লালশাক ও পাকা পেঁপেতে প্রচুর ভিটামিন A বিদ্যমান। ভিটামিন A দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলে মানুষ সহজে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় না। এছাড়া ভিটামিন A ত্বক, চুল ও শরীরের কোষ সুস্থ রাখতে সহায়তা করে এবং শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

পরিশেষে বলা যায়, X-এর উপাদানগুলো হাড় গঠনে এবং Y-এর উপাদানগুলো দেহের সার্বিক সুস্থতা রক্ষায় বিশেষভাবে কার্যকর।

২. উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: বর্তমানে নদীর পাড়ে অনেক শিল্প কারখানা গড়ে ওঠায় নদীর পানির pH এর মান পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে।

দৃশ্যকল্প-২: বিভিন্ন উপায়ে পানি বিশুদ্ধ করা হয়। যেমন- স্ফুটন, পাতন, ক্লোরিনেশন, পরিস্রাবণ ইত্যাদি।

উত্তর ETP হলো Effluent Treatment Plant বা বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা।
উত্তর পানিতে যদি ক্ষতিকর ধাতব পদার্থ থাকে তাহলে ঐ পানি পান করলে মানুষের শরীরে নানা ধরনের রোগ হতে পারে। এজন্য পানিতে সীসা, আর্সেনিকের উপস্থিতি ক্ষতিকর। সীসাযুক্ত পানি পান করলে বিতৃষ্ণাবোধ বা খিটখিটে মেজাজ, শরীরে জ্বালাপোড়া, রক্তশূন্যতা, কিডনি বিকল হওয়া এবং পরিমাণে খুব বেশি হলে মস্তিষ্ক বিকল হওয়া ইত্যাদি জটিলতা দেখা যায়। অন্যদিকে আর্সেনিকের প্রভাবে আর্সেনিকোসিস, ত্বক এবং ফুসফুসের ক্যান্সার, পাকস্থলীর রোগ হতে পারে।
উত্তর উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত পানির মানটি হচ্ছে pH। নিচে পানির pH পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাখ্যা করা হলো—
pH হলো এমন একটি রাশি, যেটি দ্বারা বোঝা যায় পানি বা অন্য কোনো জলীয় দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ। নিরপেক্ষ হলে pH হয় ৭, এসিডিক হলে ৭-এর কম, আর ক্ষারীয় হলে ৭-এর বেশি। সাধারণত নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়। গবেষণা করে দেখা গেছে, নদ-নদীর পানির pH যদি ৬ – ৮ এর মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না। তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী এবং উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে, অর্থাৎ pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে।
উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখিত পানি জীবাণুমুক্তকরণ পদ্ধতি অর্থাৎ স্ফুটন, পাতন, ক্লোরিনেশন ও পরিস্রাবণ পদ্ধতির মধ্যে স্ফুটন ও পরিস্রাবণ অধিক সহজ ও সাশ্রয়ী। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো—

স্ফুটন : পানিকে খুব ভালোভাবে ফুটালে এতে উপস্থিত জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫ – ২০ মিনিট ফুটালে সেই পানি জীবাণুমুক্ত হয়। বাসাবাড়িতে খাওয়ার জন্য এটি একটি সহজ এবং সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া।

পরিস্রাবণ : পরিস্রাবণ হলো তরল আর কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার একটি প্রক্রিয়া। পানিতে অদ্রবণীয় ধুলাবালির কণা থেকে শুরু করে নানারকম ময়লা-আবর্জনার কণা থাকে। এদেরকে পরিস্রাবণ করে পানি থেকে দূর করা হয়। এটি করার জন্য পানিকে বালির স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়, তখন পানিতে অদ্রবণীয় ময়লার কণাগুলো বালির স্তরে আটকে যায়। বালির স্তর ছাড়াও খুব সূক্ষ্মভাবে, তৈরি কাপড় ব্যবহার করেও পরিস্রাবণ করা যায়।

৩. উদ্দীপক

৩০০০ কেজি ভরের একটি স্থির ট্রাকের উপর বল প্রয়োগ করায়, ট্রাকটি ৩০ সেকেন্ডে ৪০ মিটার/সেকেন্ড বেগ অর্জন করে। ট্রাকচালক ট্রাকটি থামাতে ব্রেক চাপলে ট্রাকটি পিচ ঢালাই মসৃণ রাস্তায় যথাস্থানে থামলো না।
উত্তর গতিশীল বস্তুর সমবেগে গতিশীল থাকার প্রবণতাকে গতি জড়তা বলে।
উত্তর টেবিলের উপর রাখা বইটি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে নিচের দিকে টান অনুভব করে। একই সঙ্গে টেবিল বইটির উপর উপরের দিকে সমান মানের একটি প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করে। ফলে বল দুটি পরস্পরকে সাম্যাবস্থায় রাখে। তাই বইটি পড়ে যায় না।
উত্তর

ধরি, ট্রাকের উপর প্রয়োগকৃত বলের পরিমাণ $\mathrm{F}$।

আমরা জানি,
$\therefore \mathrm{F} = \mathrm{ma}$
$= \mathrm{m} \times \frac{\mathrm{v}-\mathrm{u}}{\mathrm{t}}$
$= ৩০০০\times \frac{৪০-০}{৩০}$
$= ৪০০০$ নিউটন।
এখানে
ট্রাকের ভর, $\mathrm{m} = ৩০০০$ কেজি
আদিবেগ, $\mathrm{u} = ০$
শেষবেগ, $\mathrm{v} = ৪০ \mathrm{~মি/সে.}$
সময়, $\mathrm{t} = ৩০$ সেকেন্ড

সুতরাং, ট্রাকের উপর প্রয়োগকৃত বলের পরিমাণ $৪০০০$ নিউটন।

উত্তর

উদ্দীপকে ট্রাকটি পিচ ঢালা মসৃণ রাস্তায় ব্রেক চাপার পরও যথাস্থানে থামেনি, কারণ মসৃণ রাস্তায় চাকা ও রাস্তার মধ্যকার ঘর্ষণ বল কম থাকে। তাই ট্রাকটি থামাতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রথমত: ট্রাকের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, কারণ বেশি গতিতে চললে গতি জড়তার কারণে ট্রাক সহজে থামানো যাবে না।
দ্বিতীয়ত: ট্রাকের টায়ার খাঁজযুক্ত ও রাবারসমৃদ্ধ হতে হবে যাতে রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
তৃতীয়ত: ব্রেক সঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়া বৃষ্টির সময় বা অতিরিক্ত মসৃণ রাস্তায় ধীরে ও সতর্কভাবে গাড়ি চালাতে হবে।

এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ট্রাকটি নিরাপদে ও নির্দিষ্ট স্থানে থামানো সম্ভব হবে।

৪. উদ্দীপক

রুনার রক্তের সিরামে A অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি নেই। রিতুর রক্তের সিরামে A অ্যান্টিজেনের অ্যান্টিবডি আছে। অন্যদিকে সেতু ও তমালের রক্তে যথাক্রমে Rh+ এবং Rh- ফ্যাক্টর বিদ্যমান।
উত্তর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে রক্তের অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে তাকে পারপুরা বলে।
উত্তর থ্যালাসেমিয়া এক ধরণের বংশগত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। এ রোগটি মানুষের অটোজোমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা ঘটে। যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোজোমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এই রোগের প্রকাশ ঘটায়।
উত্তর

উদ্দীপকের বর্ণনানুযায়ী রুনার রক্তের গ্রুপ হলো A এবং রিতুর রক্তের গ্রুপ হলো B।

আমরা জানি, নির্দিষ্ট ব্যক্তির রক্তে যে অ্যান্টিজেন নেই, শুধু সে অ্যান্টিবডি সেখানে পাওয়া যায়। রিতুর রক্তে B অ্যান্টিজেন থাকায় এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তার শরীরে নেই। একইভাবে রুনার রক্তে A অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি নেই। কিন্তু A গ্রুপের রক্তে যে অ্যান্টিবডি উপস্থিত তা B গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকাকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়। একইভাবে B গ্রুপের অ্যান্টিবডি A গ্রুপের রক্তকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়। রুনার রক্তের গ্রুপ A এবং রিতুর রক্তের গ্রুপ B হওয়ায় রুনা যদি রিতুর রক্ত গ্রহণ করে তাহলে রিতুর রক্তের অ্যান্টিবডি (A) রুনার রক্তের লোহিত কণিকাকে জমাট বাঁধিয়ে দিবে। একইভাবে রিতুর শরীরের অ্যান্টিবডি রুনার প্রদানকৃত রক্তকেও জমাট বাঁধিয়ে দিবে। ফলে রিতুর শরীরে রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং এর ফলে সে মারাও যেতে পারে। তাই রুনার রক্ত রিতুর গ্রহণ করা কোনোমতেই উচিত হবে না।

উত্তর

সেতুর শরীরের রক্তের Rh ফ্যাক্টর হলো Rh$^+$ এবং তমালের শরীরের রক্তের Rh ফ্যাক্টর হলো Rh$^-$।

Rh ফ্যাক্টর হলো রক্তের লোহিত কণিকায় থাকা এক ধরনের বিশেষ অ্যান্টিজেন। যাদের রক্তে এই অ্যান্টিজেন থাকে তারা Rh$^+$ এবং যাদের থাকে না তারা Rh$^-$। এখানে সেতুর রক্তে Rh অ্যান্টিজেন আছে, কিন্তু তমালের রক্তে নেই।

বিয়ের পূর্বে ছেলেমেয়েদের Rh ফ্যাক্টর পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। কেননা সন্তানসম্ভবা মা ও সন্তানের উপর Rh ফ্যাক্টরের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ের ক্ষেত্রে মূল জটিলতা দেখা দেয় তখন, যখন মা Rh$^-$ এবং বাবা Rh$^+$ হন। এ অবস্থায় সন্তানের রক্ত Rh$^+$ হতে পারে কারণ, Rh$^+$ একটি প্রকট বৈশিষ্ট্য। গর্ভাবস্থায় অমরার মাধ্যমে সন্তানের Rh$^+$ রক্ত মায়ের শরীরে প্রবেশ করে এবং মায়ের শরীরে Rh$^+$ এর বিপরীত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এক্ষেত্রে প্রথম সন্তান সাধারণত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, কিন্তু পরবর্তী গর্ভধারণে এই অ্যান্টিবডি অমরার মাধ্যমে ভ্রূণের রক্তকণিকা ধ্বংস করতে পারে। ফলে নবজাতকের রক্তস্বল্পতা, জন্ডিস বা গুরুতর ক্ষেত্রে শিশুর মৃত্যুও হতে পারে।

যেহেতু সেতুর রক্ত Rh$^+$ বিশিষ্ট তাই বিপরীত অ্যান্টিবডি তৈরি হবে না এবং কোনো সমস্যা হবেনা। তাই সেতুকে বিয়ে করা তমালের জন্য সাধারণভাবে সঠিক ও নিরাপদ।

৫. উদ্দীপক

(i) $\mathrm{HCl} + \mathrm{X} \rightarrow \mathrm{AlCl}_3 + \mathrm{H}_2\mathrm{O}$

(ii) $\mathrm{Y} + \mathrm{H}_2\mathrm{SO}_4 \rightarrow \mathrm{CaSO}_4 + \mathrm{H}_2\mathrm{O} + \mathrm{CO}_2$

উত্তর ক্যালামিন হলো এক ধরনের লোশন, যা মূলত জিংক কার্বোনেট ($\mathrm{ZnCO}_3$)।
উত্তর প্রসাধন সামগ্রীর pH-এর মান ৫.৫ থাকে। কারণ আমাদের ত্বক সাধারণত এসিডিক হয় এবং এর pH ৪-৬ এর মধ্যে থাকে। pH মান ৫.৫ হলে ত্বকের অম্লীয় স্তর (acid mantle) ঠিক থাকে। ফলে এটি ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ইত্যাদি ক্ষতিকর জীবাণু থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। আবার pH বেশি তথা ক্ষারীয় হলে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ হয় কিন্তু ৫.৫ হলে ত্বক নরম ও সুস্থ থাকে অর্থাৎ, ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা বজায় থাকে।
উত্তর

উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করে পাই—
$\mathrm{CaCO}_3 + \mathrm{H}_2\mathrm{SO}_4 \rightarrow \mathrm{CaSO}_4 + \mathrm{H}_2\mathrm{O} + \mathrm{CO}_2$
(Y)
সুতরাং Y যৌগটি হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ($\mathrm{CaCO}_3$), যা একটি ধাতব কার্বনেট লবণ। নিচে এ জাতীয় যৌগের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো লেখা হলো—

(i) ধাতব কার্বনেট জাতীয় যৌগের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ($\mathrm{CO}_2$) উৎপন্ন করে। উদ্দীপক প্রদত্ত বিক্রিয়াটিই অন্যতম উদাহরণ।

(ii) এ জাতীয় যৌগগুলো উচ্চ তাপের প্রভাবে সহজে ভেঙে যায় এবং ধাতব অক্সাইড ও $\mathrm{CO}_2$ গ্যাস উৎপন্ন করে।
$\mathrm{CaCO}_3 \xrightarrow\{\Delta\} \mathrm{CaO}+\mathrm{CO}_2$

(iii) এ জাতীয় যৌগ তথা ধাতব কার্বনেটসমূহ মৃদু ক্ষারীয় প্রকৃতির। এজন্য এরা এসিডের সাথে প্রশমন বিকিয়ায় অংশ নেয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে মাটিতে অম্লত্ব বেড়ে গেলে তা দূর করতে $\mathrm{CaCO}_3$ ব্যবহৃত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত (i) নং বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করলে পাই—
$\mathrm{HCl} + \mathrm{Al(OH)}_3 \rightarrow \mathrm{AlCl}_3 + 3\mathrm{H}_2\mathrm{O}$
(X)
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'X' অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [$\mathrm{Al(OH)}_3$] যৌগটি একটি ক্ষারক, যা এসিডের (HCl) সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ($\mathrm{AlCl}_3$) ও পানি ($\mathrm{H}_2\mathrm{O}$) তৈরি করে। মানবদেহের পাকস্থলীতে $\mathrm{Al(OH)}_3$ যৌগের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হলো—

আমাদের পাকস্থলীতে খাদ্য হজমের জন্য হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) নিঃসৃত হয়। এই এসিড খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং জীবাণু ধ্বংস করে। তবে কখনো কখনো পাকস্থলীতে অতিরিক্ত HCl তৈরি হলে গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা ও পেটব্যথার মতো সমস্যা অর্থাৎ এসিডিটি দেখা দেয়।

এ অবস্থায় ক্ষারধর্মী পদার্থ বা অ্যান্টাসিড ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টাসিডে থাকে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [$\mathrm{Al(OH)}_3$] নামক ক্ষারক। এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত HCl-এর সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি তৈরি করে এবং এসিডের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে দেয়। ফলে পাকস্থলীর এসিডিটি দূর হয় এবং স্বস্তি পাওয়া যায়। যেমন—

বিক্রিয়া: $\mathrm{Al(OH)}_3 + 3\mathrm{HCl} \rightarrow \mathrm{AlCl}_3 + 3\mathrm{H}_2\mathrm{O}$

সুতরাং বলা যায়, $\mathrm{Al(OH)}_3$ পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড নিরপেক্ষ করে পরিপাকতন্ত্রকে স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৬. উদ্দীপক

তথ্য-১ : সুজানাদের বাড়িতে ১০০ ওয়াটের ৫টি ফ্যান ও ৬০ ওয়াটের ৬টি বাল্ব প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ব্যবহৃত হয়।

তথ্য-২: তানহাদের বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগে একটি বাতি নিভে গেলেও সব বাতি জ্বলে। অপরদিকে মারিয়াদের বাসায় একটি বাতি নিভে গেলে সব বাতি নিভে যায়।

উত্তর কোনো দ্রবণের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।
উত্তর ডেস্কটপ কম্পিউটার কিংবা এরকম সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির বেলায় ইউপিএস ব্যবহার করা হয়। কারণ বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার দশ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে ইউপিএস বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারে। কাজেই কম্পিউটারের বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয় না। যদিও ইউপিএস এর বিদ্যুৎ প্রবাহ করার ক্ষমতা কম, তবুও কম্পিউটারের কাজগুলো গুছিয়ে নিয়ে, প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সেভ করে, কম্পিউটার বন্ধ করে দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।
উত্তর উদ্দীপক অনুসারে, সুজানাদের বাড়িতে ব্যবহৃত প্রতিটি ফ্যানের ক্ষমতা $১০০$ ওয়াট এবং প্রতিটি বাল্বের ক্ষমতা $৬০$ ওয়াট।
সুতরাং, ৫টি ফ্যান ও ৬টি বাল্বের মোট ক্ষমতা,
$\mathrm{P} = (৫ \times ১০০ + ৬ \times ৬০)$ ওয়াট
$= (৫০০ + ৩৬০)$ ওয়াট
$= ৮৬০$ ওয়াট
এবং সময়, $\mathrm{t} = ৫$ ঘণ্টা
আমরা জানি,
ব্যয়িত বিদ্যুৎ শক্তি $= \frac{\text{ক্ষমতা} \times \text{সময়}}{১০০০}$ কিলোওয়াট-ঘণ্টা
$= \frac{\mathrm{P} \times \mathrm{t}}{১০০০}$ কিলোওয়াট-ঘণ্টা
$= \frac{৮৬০ \times ৫}{১০০০}$ কিলোওয়াট-ঘণ্টা
$= ৪.৩$ কিলোওয়াট-ঘণ্টা
$= ৪.৩$ ইউনিট
অতএব, সুজানাদের বাড়িতে $৪.৩$ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়।
উত্তর

উদ্দীপকে তানহাদের বাসায় সমান্তরাল বর্তনী ও মারিয়াদের বাসায় সিরিজ বর্তনীতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে।

আমরা জানি, সিরিজ সংযোগে বর্তনীর সকল উপকরণের জন্য একটি বিদ্যুৎ প্রবাহের পথ থাকে। ফলে প্রথম উপকরণ যে পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি পেয়ে থাকে 'পরবর্তী উপকরণগুলো ক্রমান্বয়ে তার থেকে কম বিদ্যুৎ শক্তি পায়। কোনো কারণে বর্তনীর একটি তড়িৎ উপকরণ নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ বর্তনীর বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়াও সিরিজ বর্তনীতে নিয়ন্ত্রণ সুইচ একটি থাকে বিধায় সুইচ অন বা অফ করলে সবগুলো উপকরণ একত্রে অন বা অফ হবে।

অপরদিকে, সমান্তরাল বর্তনীতে বৈদ্যুতিক উপকরণগুলোর জন্য আলাদা আলাদা বিদ্যুৎ প্রবাহ পথ থাকে। ফলে একটি উপকরণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে বা নষ্ট হলেও অন্যগুলোর উপর কোনো প্রভাব পড়ে না। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যুৎ উপকরণ আলাদাভাবে অন বা অফ করা যায় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহের মানও ধ্রুব থাকে বা অন্য উপকরণ দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

অতএব উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, বিদ্যুৎ সংযোগের ক্ষেত্রে তানহা ও মারিয়াদের বাসার সংযুক্ত বর্তনীর মধ্যে তানহাদের বাসার সমান্তরাল সংযোগটি বেশি উপযোগী।

৭. উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ করো :
উদ্দীপকের ছবি
উত্তর রক্ত জমাট বাঁধার পর রক্তের জমাট অংশ থেকে যে হালকা হলুদ রঙের এক রকম স্বচ্ছ রস নিঃসৃত হয় তাকে সিরাম বলে।
উত্তর দেহের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হলো এলডিএল (LDL) বা লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন। এলডিএল কোলেস্টেরল অতিরিক্ত থাকলে তা রক্তনালির দেওয়ালে জমতে থাকে, যা রক্ত চলাচল বাঁধাগ্রস্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এজন্য একে “খারাপ কোলেস্টেরল” বলা হয়ে থাকে।
উত্তর

চিত্র-P হলো হৃৎপিণ্ড। নিচে হৃৎপিণ্ডের গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো—
হৃৎপিণ্ড রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত এক রকম পাম্প যন্ত্রবিশেষ। মানুষের হৃৎপিণ্ডটি বক্ষগহ্বরে ফুসফুস দুটির মাঝখানে এবং মধ্যচ্ছদার উপরে অবস্থিত। হৃৎপিন্ডের প্রশস্ত প্রান্তটি উপরের দিকে এবং সুচালো প্রান্তটি নিচের দিকে বিন্যস্ত থাকে। হৃৎপিণ্ডটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম পর্দা বেষ্টিত থাকে।

উভয় স্তরের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে যা হৃৎপিণ্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে। মানুষের হৃৎপিণ্ডটি চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। উপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান ও বাম অলিন্দ এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান ও বাম নিলয় বলে। অলিন্দ দুটি আন্তঃঅলিন্দ পর্দা দিয়ে এবং নিলয় দুটি আন্তঃনিলয় পর্দা দিয়ে পৃথক থাকে। অলিন্দের প্রাচীর পাতলা। নিলয়ের প্রাচীর পুরু ও পেশিবহুল। ডান অলিন্দের সঙ্গে একটি ঊর্ধ্ব মহাশিরা এবং একটি নিম্ন মহাশিরা যুক্ত থাকে। বাম নিলয়ের সঙ্গে চারটি ফুসফুসীয় শিরা যুক্ত থাকে। ডান নিলয় থেকে ফুসফুসীয় ধমনি এবং বাম নিলয় থেকে মহাধমনি উৎপন্ন হয়।

উত্তরের ছবি
উত্তর

চিত্রে তীর চিহ্ন উপাদানটি হলো রক্ত যা মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো—

১. রক্ত অক্সিজেনকে ফুসফুস থেকে টিস্যু কোষে এবং টিস্যু কোষ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড়কে ফুসফুসে পরিবহন করে। রক্তের লোহিত কোষ ও রক্তরস প্রধানত এ কাজটি করে।

২. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে।

৩. দেহের সঞ্চয় ভান্ডার থেকে এবং পরিপাককৃত খাদ্যসার দেহের টিস্যুকোষগুলোতে বহন করে।

৪. নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থগুলোকে বৃক্কে পরিবহন করে।

৫. দেহের তাপের বিস্তৃতি ঘটিয়ে দেহের নির্দিষ্ট তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

৬. দেহে রোগজীবাণু প্রবেশ করলে মনোসাইট ও নিউট্রফিল শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে জীবাণুকে গ্রাস করে ধ্বংস করে। লিম্ফোসাইট শ্বেতকোষ অ্যান্টিবডি গঠন করে দেহের ভিতরের জীবাণুকে ধ্বংস করে এবং বাইরে থেকে জীবাণুকে প্রতিহত করে।

৮. উদ্দীপক

ঘটনা-১ : সুজন ২.৫ মিটার/সেকেন্ড² ত্বরণে ৭৫ নিউটন বল প্রয়োগ করে গাড়ি চালাতে লাগলো।

ঘটনা-২ : রাজু তাদের বাড়ির সামনে একটি ইট বিছানো রাস্তায় বাইক চালানো শিখছিল। এতে তার খুব কষ্ট হচ্ছিল। তাই সে বাড়ি থেকে একটু দূরে নতুন পাকা রাস্তায় বাইক চালানো শিখতে গেল এবং বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করলো।

উত্তর তড়িৎ বণ্টনের জন্য তড়িৎপ্রবাহ বন্ধ করার পদ্ধতিকেই লোডশেডিং বলা হয়।
উত্তর গাড়ি চালক যখন গাড়ি চালায় তখন গাড়ির সাথে সাথে তার শরীরও গতিশীল হয়ে পড়ে। এখন কোনো কারণে যদি চালক ব্রেক করে, তবে গাড়ি থেমে যাবে কিন্তু গতি জড়তার কারণে চালকের দেহ সামনের দিকে ঝুঁকে যাবে যেটা খুবই বিপজ্জনক। এজন্য গাড়ি চালকের জন্য সিটবেল্ট পরা জরুরি।
উত্তর

ধরি, গাড়িসহ সুজনের ভর $\mathrm{m}$ কেজি।

আমরা জানি,
$\mathrm{F} = \mathrm{ma}$
বা, $\mathrm{m} = \frac{\mathrm{F}}{\mathrm{a}} = \frac{৭৫ \text{ নিউটন}}{২.৫ \text{ মিটার/সেকেন্ড}^২}$
$= ৩০$ কেজি
এখানে,
ত্বরণ, $\mathrm{a} = ২.৫ \mathrm{~মিটার/সেকেন্ড^২}$
বল, $\mathrm{F} = ৭৫$ নিউটন

সুতরাং, গাড়িসহ সুজনের ভর $৩০$ কেজি।

উত্তর একটি বস্তু যখন অপর একটি বস্তুর উপর দিয়ে চলে গতিপ্রাপ্ত হয়, তখন ঘর্ষণ এর কারণে গতি বাধাপ্রাপ্ত হয়। প্রত্যেক তলে কিছু এবড়ো-থেবড়ো বা উঁচু-নিচু খাঁজ থাকে যা খালি চোখে দেখতে পাওয়া যায় না। কোনো খাঁজে উঁচু-নিচু যত বেশি হবে বাধা বা ঘর্ষণের পরিমাণ তত বেশি হবে এবং ঘর্ষণের পরিমাণ যত বেশি হবে গতির পরিমাণ তত কমে যাবে। ইট বিছানো রাস্তায় ঘর্ষণের পরিমাণ বেশি হয়। ফলে গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জনে খুব কষ্ট হয়। এজন্য ইট বিছানো রাস্তায় বাইক চালাতে রাজুর খুব কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নতুন পাকা রাস্তায় ঘর্ষণের পরিমাণ ইট বিছানো রাস্তার চেয়ে কম হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জনে পূর্বের তুলনায় কম শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। যার ফলে রাজু ঐ রাস্তায় স্বাচ্ছন্দ্যে বাইক চালাচ্ছিল। এজন্য ১ম ও ২য় ক্ষেত্রে বাইক চালাতে রাজুর ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছিল।